
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তি বিভাগে পড়াশোনা করেছেন। সাংবাদিক হিসেবে কাজ করছেন দীর্ঘদিন। সৃজনশীল লেখালেখির সাথে যুক্ত।

তীব্র সমালোচনার মুখে নির্বাচনের পর ১৫ ফেব্রুয়ারি একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের ভ্যারিফায়েড পেজ থেকে। সেখানে এই চুক্তির প্রেক্ষাপট হিসেবে পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপের কথা বলা হয়েছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর বিজয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক রকম নটআউট মর্যাদা পেয়ে যায়। ‘দান দান তিন দান’ বলে বাংলায় একটা কথা আছে। এবারও গণভোট হচ্ছে। সেখানেও ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ আছে। এবং প্রবণতা বলছে, ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হতে যাচ্ছে। আর তেমনটাই ঘটলে আবারও সরকার ব্যবস্থায় এক বড় বদল আসার পথ খুলে যাবে, যা এ সময়ে সংস্কার বলেই

প্রতিযোগিতাটি কেমন? বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় যোগ দেওয়ার পর দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, ঢাকা যদি বেইজিংয়ের সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার পথ বেছে নেয়, তবে বাংলাদেশ ঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারে।

নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফ থেকে একের পর এক আশ্বাসবাণী দেওয়া হয়েছে। কিন্তু হায়, সকলই গরল ভেল। শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ড, তার পরের তাণ্ডব–এসব নিয়ে তো কম কথা হলো না। কিন্তু ওই কথা পর্যন্তই। কাজের কাজ কিছু হয়েছে বলে দাবি করারও এমনকি উপায় থাকছে কী?

এ খেলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে চীন, রাশিয়া তো আছেই, খুব শিগগিরই ইউরোপও হয়তো হাজির হবে। কারণ, যে ব্রিটেন, স্পেন, ফ্রান্স, পর্তুগাল ও রাশিয়ার মতো ইউরোপের ঔপনিবেশিক শক্তি থেকে বাঁচতে যুক্তরাষ্ট্র উনিশ শতকের শুরুতে মনরো ডকট্রিন ঘোষণা করেছিল, তা খোলস পাল্টে নিজেই দানব হয়ে এখন ইউরোপকে গিলতে চাইছে।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর আমেরিকাকে কেন্দ্রে রেখে যে একমেরু বিশ্বকাঠামো যাত্রা করে, তার ক্ষয় মানে যুক্তরাষ্ট্রেরই ক্ষয়। আর এখানেই প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি আমেরিকার ক্ষয়িষ্ণু সাম্রাজ্য বা মুকুটটি পুনরুদ্ধার করে তাকে আবার ‘গ্রেট’ বানানোর প্রতিশ্রুতি শুনিয়ে যাচ্ছেন গত দশক থেকে।

যুক্তরাষ্ট্র ও আমেরিকার মধ্যে তফাৎটা কী? সবাই তো আমেরিকাই বলে। হ্যাঁ, সবাই বলে। এটা সত্য। এটা এক ধরনের নির্দোষ বলাও বটে। কিন্তু এর সঙ্গে আছে এক গভীর রাজনীতি। এরই প্রকাশ পাচ্ছে এখন এই সময়ে এসে।

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযান চালনায় বিশ্ববাসী বিস্মিত হয়েছে। বিশেষত একটি দেশের প্রেসিডেন্টকে রাতের অভিযানে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আরেক দেশ বিচার করতে পারে কিনা, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। কিন্তু এটা কি এতটাই বিস্ময়কর? নাকি এ প্রশ্নকেই বিস্ময়কর লাগছে?

‘উইন্টার ইজ কামিং’–কী পরিচিত লাগছে? ‘গেম অব থ্রোনস’-এর ভক্তকূল নিশ্চয় চিনতে পারছেন? অনেক দৃশ্য নিশ্চয় মনে আসছে? আসাটাই স্বাভাবিক। উইন্টারফলের সবচেয়ে উচ্চারিত সতর্কবার্তা এটি। তারপর তো কত জল গড়াল। সত্যি সত্যি ক্ষমতার দ্বন্দ্ব যখন তুঙ্গে উঠল দর্শকদের কাছে ধীরে স্পষ্ট হলো–শীতের আগমন বার্তা কেন সতর্ক সং

হাদি আক্রান্ত হওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠল। এই প্রশ্ন তোলা হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা ছড়ানোর মাধ্যমে। আর তারপর তার মৃত্যু সম্পর্কে হৃদয়বিদারক তথ্যটি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টার সতর্কবার্তাকে সত্য রূপান্তরিত করে সংবাদমাধ্যমের দুটি কার্যালয় আক্রান্

দীপ্তি দত্ত তার শিল্পকর্মকে ডাকছেন ‘স্বপ্নের বাইরে থেকে’ নামে। কেন? তিনি প্রশ্ন করছেন খোদ ‘সুলতানার স্বপ্ন’কেই? রোকেয়াকেই? তিনি সরাসরি প্রশ্ন করছেন– এই স্বপ্নের বাইরে সুলতানার সময়ে ভিন্ন বাস্তবতা কি ছিল না? ঠিক একইভাবে আরেক শিল্পী সুলতানার নয়, দর্শনার্থীদের স্বপ্নের হদিস নিতে চাইছেন।

কথা হলো বড় শক্তিগুলো না হয় যুদ্ধে জয়ের জন্য মিত্র খোঁজে। কিন্তু সেইসব মিত্ররা মৈত্রী করে কেন? তার চাওয়া কী? ক্ষমতার ভাগ? নাকি নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকে মুক্তি? রাজনীতির ময়দানে ক্ষমতাই মোক্ষ–সন্দেহ কী! আর দ্বিতীয় প্রশ্ন? তার কী মীমাংসা হবে?

নতুন বন্দোবস্তে প্রবেশের পর থেকে বাউলদের ওপর হামলা যেমন বেড়েছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মাজারে হামলা ও ভাঙচুর। এমনকি মৃত ব্যক্তির লাশ কবর থেকে তুলে আগুনে ভস্মিভূত করতেও আমরা দেখেছি।

বঙ্গমুলুকে শিক্ষার আরেক নাম শাস্তিও সম্ভবত। না হলে, আমরা কি আর সাধে বলি যে, এবার তাকে একটা শিক্ষা দিতে হবে। ভাবা যায়! কাউকে একহাত নেওয়া বা কাউকে সাজা দেওয়া অর্থে শিক্ষার এমন ব্যবহার আমাদের এখানে এমন প্রবলভাবে আছে যে, শিক্ষার পাশ ঘেঁষতেও একটু ভয় পেতে হয় বৈকি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ৮ মাত্রা বা তার চেয়ে বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সে রকম ভূমিকম্প হলে ঢাকা শহরের অন্তত ৬ হাজার ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। প্রাণহানি হবে অন্তত ৩ লাখ মানুষের।

বেইজিংয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে যুদ্ধকালীন কমান্ড সেন্টার। স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, সেন্টারটি পেন্টাগনের চেয়েও বেশ বড়। যদিও আমেরিকার চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা এমন কিছু সম্পর্কে অবহিত নয়।
গুজব উৎপাদন করে? যে কেউ করতে পারে। কখনো সংবাদমাধ্যমও গুজবের উর্বর ভূমিতে পরিণত হয়। তবে বিভিন্ন সময় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি, বিনোদন জগতের তারকারা এই গুজবের জন্ম দেন।

বিরল খনিজ ও তা ব্যবহারে তৈরি নানা পণ্য মানুষের জীবনের সঙ্গে একেবারে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। হাতে থাকা সেলফোন, কম্পিউটার, টেলিভিশন, গাড়ি থেকে শুরু করে বিচিত্র সব প্রযুক্তি পণ্য, যার ভেতরে চুম্বক থাকে বা যা তৈরিতে চুম্বক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তার সবকিছুতেই রয়েছে এই বিরল খনিজের উপস্থিতি।

ক্ষমতা নানামাত্রিক হয়। ঘর থেকে রাষ্ট্র, সবখানেই ক্ষমতা থাকে নানা চেহারায়। তবে সাধারণভাবে ‘ক্ষমতা’ নামের শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে ভাসে মূলত দেশের বিষয়, সরকারের অবয়ব। আর এই ক্ষমতাই কখনো কখনো সব খেয়ে ফেলে! আর তখনই ক্ষমতা হয়ে ওঠে একচেটিয়া। এবার ক্ষমতার সেই সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েই বিস্তারিত জানা যাক।